
বিশেষ প্রতিবেদকঃ গণপূর্ত বিভাগের শেরেবাংলা নগর-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী লতিফুল ইসলামকে ঘিরে বিতর্ক থামছে না। দীর্ঘ বছর ধরে তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি কাজের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন এবং নিজের প্রভাব ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার সুযোগ নিয়ে স্বার্থসিদ্ধি করেছেন।
বাড়্ডা থানায় দায়ের হওয়া মামলাসহ বিভিন্ন মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও লতিফুল ইসলাম এখনও কর্মরত। তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, শিশু হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং সংসদ ভবনের সংস্কার কাজে স্বার্থান্বেষী নিয়ন্ত্রণ, অস্বাভাবিক দর নির্ধারণ ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর কর্মকাণ্ডে জুনিয়র কর্মকর্তারাও জড়িত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, তিনি রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্য দিয়ে নিজেকে নিরাপদ রেখেছেন। সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সমর্থনে তিনি দীর্ঘদিন দুর্নীতির প্রক্রিয়ায় সরাসরি নিয়োজিত ছিলেন। সহকর্মীদের মধ্যে তিনি “মিস্টার ১৫” নামে পরিচিত, কারণ প্রতি প্রকল্পে ১৫ শতাংশ কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন এবং পদোন্নতির জন্য তদবির চালাচ্ছেন। প্রশাসনিক এবং তদন্ত সংস্থাগুলি তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত করলেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি। তিনি ফোন বা মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো উত্তর দেননি।
