ডেস্ক নিউজ : গাইবান্ধায় করতোয়া ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও কমেছে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানি। জেলার নদ-নদীগুলোর পানি কখনো বাড়ছে, আবার কখনো কমছে। এতে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার চার উপজেলার ৪৫টি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭ শতাধিক পরিবার।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং ঘাঘট নদের পানি ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে করতোয়া নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং তিস্তা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পাউবো জানায়, চলমান বর্ষা মৌসুমে এখন পর্যন্ত জেলার কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
তবে বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট, তিস্তা ও করতোয়া নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী ৪৫টি পয়েন্টে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, ফসলি জমি, সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় নদীভাঙনে ৭ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ রসুলপুর, চৌমহন চর, খাটিয়ামারি, দক্ষিণ খাটিয়ামারি, কাউয়াবাদা ও রতনপুর; সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কেরানীর চর, কালির খামার ও চর চরিতাবাড়ী; গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পূর্বপাড়া এবং সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়ন ও সাঘাটা উপজেলার কয়েকটি এলাকা।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে।’
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ আকরামুল হক
নির্বাহী সম্পাদকঃ নুসরাত জাহান মিশু
ফোন নাম্বারঃ 01718246730
ফোন নাম্বারঃ 01868533641
Email: News@amadershomoykal.com
সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ ৩০-৩১, দিলকুশা সি/এ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০
Copyright © 2025 All rights reserved আমাদের সময় কাল